বার্তা পরিবেশক
ককসবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড়ের ফাক্রিকাটা গ্রামে একদল বখাটে নানা অজুহাতে এক কৃষকের কাছ থেকে চাঁদাদাবী ও চাঁদা না দেয়ায় কৃষককে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই অজুহাতে আগেও সে চাঁদাবাজদেরকে চাঁদা দিতে হয়েছে এ কৃষক পরিবারকে ।অভিযোগকারী কৃষক ও ব্যবসায়ী আবুল কাশেম খোকন ও মো:হানিফ আরো বলেন,নানা অজুহাত তুলে তাদের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করার পর, তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বখাটের দল কৃষক আবুল কাশেমের উপর হামলা করে গত ২ আগষ্ট বিকাল ৪ টায়। স্থানীয় ফাক্রিকাটা মুরারপাড়া সাকিনের সে চিহ্নিত বখাটেদের বাড়ির পাশে হওয়ায় নানা অজুহাতে এ সব করতে দ্বিধা করছে না তারা । আর একদিকে বখাটে অপর দিকে প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মূখও খুলে না সে এলাকায়। ইত্যাদি কারণে তাদের সাহস আরো বেড়ে গিয়ে কৃষক পরিবারের জমি চাষের শ্রমিকদেরও তাড়িয়ে দেয় দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র প্রদর্শন করে হামলার পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। অভিযোগে আরো প্রকাশ,সে দিন ও তারা হুমকি দেয় ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে সেই জমিতে চাষ দিতে পারবে না। প্রয়োজনে দখল করে ফেলবে।এভাবে হুমকি-ধমকিতে সেই জমি এখনও আবাদ করতে পারে নি । আর এভাবে উপায়ান্তর না দেখে কৃষক পরিবারটি রামু থানায় একটি মামলা দায়ের করেন গত সপ্তায়। এ খবর পেয়ে বখাটের ও চাঁদাবাজদল আরো তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে। এখন আরো বেপরোয়া হয়ে পুনরায় হামলা করবে বলে হুংকার ছাড়ছে কৃষক পরিবারের উপর। যাদের মধ্যে রয়েছে,মো:হাছন,নবী আলম,সুলতান আহমদ সহ আরো কয়েকজন। যাদের মধ্যে ২ নম্বর আসামীর বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এ সব কারণে কৃষক পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীতায় ভূগছে বর্তমানে।অভিযোগকারী কৃষক ও ব্যবসায়ী আবুল কাশেম খোকন ও মো:হানিফ আরো বলেন,পিতা মারা যাওয়ার পর বিধবা মা'কে বুকে আগলে রেখে তারা সংসারের ঘানি টনছেন টানাপুড়েনে। কিছু চাষাবাদযোগ্য জমি চাষ করে আর সামান্য তরিতরকারীর ব্যবসা করেন তারা। জমি গুলো পৈত্রিক ও নিজেদের ক্রয়কৃত। যা তাদের একমাত্র সম্বল। এখন এই সব সম্পত্তির দিকে তাদের কু-দৃষ্টি পড়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন তারা। এ সব কারণে তাদের সুখের সংসারে নেমে আসে কালো ছায়া। কারণ তাদের চাষের একখন্ড পাহাড়ের কিনারে মুরারপাড়া এলাকায় থাকা জমিতে রোববার (১৬ আগষ্ট) বিকাল পর্যন্ত সেই জমিতে চাষাবাদ করতে যেতে পারে নি সে কৃষক পরিবার। স্খানীয়,বাসিন্দা আবদুল গফুর,মো:গিয়াস উদ্দিন ও মো:হানিফ জানান, তারা এ ঘটনার স্বাক্ষী। মামলার আসামীরা বহুল আলোচিত সন্ত্রাসী। তারা দেশের আইন-কানুন মানে না। কাউকে পাত্তাও দেয় না। সব সময় মার-মার, কাট- কাট,চলাফেরায় বিশ্বাসী। নিরীহ কৃষক খোকনদের উপর তারা দীর্ঘদিন ধরে অত্যচার করে আসছে। চাঁদা চেয়ে জমি চাষ করতে দিচ্ছে না। তবে এ বিষয় অভিযুক্তদের সাথে এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাদের বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয় নাই।

0 Comments