মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ সালেম
বিশেষ প্রতিনিধি৷
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় বেসরকারি প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর লাইসেন্স থাকলেও নেই যোগ্য প্যাথলজিস্ট। লাইসেন্সের কাগজ দেয়ালে ঝুলিয়ে রেখে অদক্ষ ও প্রশিক্ষণহীন কর্মচারী দিয়েই চলছে কোটি টাকার ব্যবসা। ফলে ভুল রিপোর্টের কারণে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ রোগীরা।
ভুক্তভোগীরা জানান, জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষা করাতে গিয়ে প্যাথলজিস্টকে খুঁজে পাওয়া যায় না। সেন্টারের লোকজনই রিপোের্ট বানিয়ে দেন। একই পরীক্ষায় একাধিক সেন্টার থেকে ভিন্ন ভিন্ন রিপোর্ট আসায় চিকিৎসকরা পর্যন্ত বিভ্রান্ত হচ্ছেন।
স্বাস্থ্য বিধি অনুযায়ী প্রতিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একজন অভিজ্ঞ প্যাথলজিস্টের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি থাকার কথা থাকলেও টেকনাফে তার কোনো বালাই নেই।
স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের যৌথ তদারকি দাবি করেছেন। তারা বলছেন, "লাইসেন্স থাকলেই হবে না, প্যাথলজিস্টের উপস্থিতিও নিশ্চিত করতে হবে। নইলে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি বন্ধ হবে না।"
এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম অনিক চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "সিভিল সার্জন, কক্সবাজার যদি আমাদের অর্ডার দেন তাহলে আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।"
কিন্তু সিভিল সার্জন, কক্সবাজার এর সাথে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
0 Comments