কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবি’র জোড়া অভিযান: মায়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে ৩৩ বস্তা সার ও ০২টি হস্তচালিত কাঠের নৌকা জব্দ।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে মায়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে মালিকবিহীন অবস্থায় সর্বমোট ৩৩ বস্তা সার ও ০২টি হস্তচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিষয়টি নিশ্চিত করেন, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল ১০ঘটিকায় নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দমদমিয়া বিওপি’র একটি বিশেষ আভিযানিক দল জাদিমুড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে নাফ নদীর কিনারায় হস্তচালিত কাঠের নৌকাসহ মালিকবিহীন অবস্থায় ১০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে, একই দিন আনুমানিক ২ঘটিকায় নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, কতিপয় চোরাকারবারি বাংলাদেশ হতে বিপুল পরিমাণ সার নাফ নদী দিয়ে মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার একটি গোপন স্থানে মজুদ করেছে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অধিনায়ক, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় দমদমিয়া বিওপি’র একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওমরখাল সংলগ্ন নাফ নদীর তীরবর্তী কেওড়া বাগানে অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় হস্তচালিত কাঠের নৌকাসহ মালিকবিহীন ও পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ২৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
পৃথক দুটি অভিযানে সর্বমোট ৩৩ বস্তা সার এবং ০২টি হস্তচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৫৯ হাজার ৩০০ টাকা।
বিজিবি’র অধিনায়ক আরো বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ হতে মায়ানমারে অবৈধ পণ্য পাচার এবং মায়ানমার হতে বাংলাদেশে মাদক ও অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য প্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান দমনে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
জব্দকৃত পণ্য ও হস্তচালিত কাঠের নৌকাসমূহের বিষয়ে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে
0 Comments